সেই মেধাবী সাকিন এবার চিপায়! বলা চলে একেবারে কোমর পর্যন্ত গর্তে।

নুজসাতের বাবার করা মামলায় আটক মেডিকেলের এক সময়ের কয়েকজনের লাইলির মজনু, মেধাবী ও প্রেমপ্রীতিহীন, সরল, নরম, মাটির নিচে মুখ করা, মেয়ে পটানো শিক্ষক সাকিনের ৩ দিনের রিমান্ড শুনানি আগামী রোববার নির্ধারণ করেছেন আদালত।

এবার একটু পেছনে ফেরা যাক। নুজসাতের বাবা মামলা করার পর যখন ভদ্র চেহারার সাকিনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ, তখন রংপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষিত, মেধাবী স্টুডেন্টরা দোষ দিল সাংবাদিকদের। মেডিকেল মোড় ব্লকেড করে তারা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করল। তারা এতটাই নোংরামি করল যেন মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা আইনের ঊর্ধ্বে!

সাকিনকে গ্রেপ্তার করার পর সাকিন সাংবাদিকদের সামনে বলেছে, সে নির্দোষ। নুজসাত তাকে প্রপোজ করেছিল, কিন্তু সে রিজেক্ট করে।

অথচ পুলিশের তদন্তে ফোনকলের সূত্র ধরে বেরিয়ে এসেছে, তারা নিয়মিত কথা বলত। তারা একটি রিলেশনশিপে ছিল। নুজসাত আত্মহত্যা করার আগে তার ফোন ফ্যাক্টরি রিসেট করে, নয়তো আরও অনেক তথ্য সামনে চলে আসত। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে। খুব শিগগিরই আরও কিছু তথ্য আসবে।

এবার আসি নুজসাতের ফ্রেন্ড সার্কেলের দিকে। তারাও বারবার বলছে, এই টিচার নামক মেয়েখেকোর সঙ্গে প্রেম ছিল নুজসাতের। নুজসাতকে মানসিক যন্ত্রণাও দিত সে। শুধু তাই নয়, নামে-বেনামে আসা অসংখ্য মেসেজ থেকে এটাও জানা যায়, শুধু নুজসাত নয়, এই ছেলে অসংখ্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে। যদিও তার উদ্দেশ্যই ছিল কাজ শেষে ছেড়ে দেওয়া।

বিভিন্ন সংবাদের কমেন্ট বক্স থেকেও জানা যাচ্ছে, এই সাকিন-নুজসাতকে নগরীর বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে ঘুরতে দেখা গেছে অসংখ্যবার। শুধু তাই নয়, সেই জায়গাগুলোতে কখনো তারা প্রেম জমিয়েছে, আবার কখনো জমিয়েছে অভিমান।

আরও অনেক কিছুই আছে। তবে মানুষের ফাউ আবেগ দেখে এই টপিক নিয়ে কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল না। তারপরও লিখলাম।

ও হ্যাঁ, এই সাকিনের কিন্তু একটা রিয়েল লাভও আছে। মেয়েটার নাম মিম। সম্ভবত ঢাকায় থাকে!

নুজসাতের আত্মা শান্তি পাক। সাকিনের অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি পাক!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *